ডেস্ক রিপোর্ট : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ৩টা ৫ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখো মানুষ অংশ নেন।
জানাজায় অংশ নিতে সকাল থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দলে দলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। বিশাল জনসমাগমে পুরো এলাকা শোকাবহ পরিবেশে পরিণত হয়।
খালেদা জিয়ার জানাজার নামাজে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক। এ সময় জানাজায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পাশাপাশি তিন বাহিনীর প্রধান, প্রধান বিচারপতি, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
জানাজা শেষে খালেদা জিয়াকে দাফনের জন্য জিয়া উদ্যানে নেওয়া হবে। সেখানে তার স্বামী, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
জানাজা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে ২৭ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
তার মৃত্যুতে সরকার বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত (৩১ ডিসেম্বর, ১ ও ২ জানুয়ারি) তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে বুধবার সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত লাখো মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হওয়া এ জানাজাকে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জানাজা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
