লন্ডন সফরের সময় চসিকের প্রশাসনিক তদারকিতে সচিব আশরাফুল আমিন: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

 


চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, তাঁর লন্ডন সফরকালীন সময়ে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করবেন চসিকের সচিব ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিন।

 

রোববার লন্ডন থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি আরও বলেন, তাঁর লন্ডন সফরের সম্পূর্ণ খরচ ব্যক্তিগতভাবে বহন করা হচ্ছে। এর আগে কানাডার টরন্টো সফরের খরচও তিনি ব্যক্তিগতভাবে বহন করেছেন।

বিবৃতিতে মেয়র স্পষ্ট করেন, সরকার, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, কোনো ঠিকাদার বা তৃতীয় পক্ষ এই সফরের অর্থায়ন করছে না।

এছাড়া, মেয়র জানান, প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও তিনি প্রায়ই সিটি কর্পোরেশনের দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেন। তবে এসব দিনে তিনি চসিকের গাড়ি বা জ্বালানি ব্যবহার করেন না; বরং নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহার করেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ বিষয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।

সুত্র : চসিক ও মেয়রের ফেসবুক।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সন্ত্রাস দমনে অভিযান চলবে: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

চট্টগ্রাম: আজ রবিবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম।

সভায় অক্টোবর ২০২৫ মাসের অপরাধচিত্র পর্যালোচনা করা হয়। এছাড়া আসন্ন ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয়, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, চোরাচালান দমন, অনিবন্ধিত হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযান, অবৈধ বালু উত্তোলন ও মাটি কাটার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা, চট্টগ্রাম নতুন ব্রিজ এলাকায় যাত্রী হয়রানি বন্ধ এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম বলেন, “দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী ও মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে। দুর্বৃত্তায়ন কিংবা যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করা হবে।”

তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান এবং নির্বাচনকালীন সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার মো. জুনায়েদ কাউছার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

সূত্র: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ফেসবুক থেকে।

রাঙ্গুনিয়ায় মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

রাঙ্গুনিয়া: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের লিচুবাগান এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

ইউনিয়ন যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “দীর্ঘ ১৬ বছর আমরা আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। ৫ তারিখের পর থেকে চন্দ্রঘোনা লিচুবাগানে যারা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসে জড়িত, তারা বিএনপির কেউ নন। বিএনপি সাধারণ মানুষের দল, শান্তিপ্রিয় মানুষের দল। বিএনপি কোনো চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দেয় না।”

বক্তারা আরও বলেন, “আজ থেকে চন্দ্রঘোনায় কোনো মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলবে না। কোনো ব্যবসায়ীকে হয়রানি বা হস্তক্ষেপ করা হবে না। আমরা সবাই মিলে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলব।”

তারা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “চন্দ্রঘোনায় যদি কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রম বা চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে, তাহলে প্রশাসন যেন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনে।”

বক্তারা আরও জানান, “আমাদের নেতা হুম্মাম কাদের চৌধুরীর নির্দেশ অনুযায়ী চন্দ্রঘোনায় কোনো মাদক ব্যবসায়ী বা সন্ত্রাসী থাকতে পারবে না। ব্যবসায়ীরা নিশ্চিন্তে ব্যবসা-বাণিজ্য করবেন, বিএনপি সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে।”

মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত থেকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।