রাঙ্গুনিয়া টুডে প্রতিবেদক: চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এতে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ, দাখিলে ৫৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় পাসের হার ৬০ দশমিক ১৫ শতাংশ।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৪১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় মোট ৩ হাজার ৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৬৩৬ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৪১৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯ জন।
দাখিল পরীক্ষায় উপজেলার ১৫টি মাদ্রাসা থেকে মোট ৬৭৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪০৫ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ২৭৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন। এ পরীক্ষায় পাসের হার ৫৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
অন্যদিকে, এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় উপজেলার চারটি প্রতিষ্ঠান থেকে ২৬১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৫৭ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১০৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। পাসের হার ৬০ দশমিক ১৫ শতাংশ।
এসএসসিতে বিদ্যালয়ভিত্তিক ফল
এসএসসিতে পোমরা শহীদ জিয়ানগর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫ জন উত্তীর্ণ ও ১৩ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭২ দশমিক ৯২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পায়নি কেউ।
রাঙ্গুনিয়া আদর্শ বহুমুখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪৩ জন উত্তীর্ণ ও ৫৭ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭১ দশমিক ৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪ জন।
রাঙ্গুনিয়া পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪০ জন উত্তীর্ণ ও ১৭ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭০ দশমিক ১৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন।
পোমরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৭ জন উত্তীর্ণ ও ৩৭ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭০ দশমিক ১৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন।
মরিয়মনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯ জনের মধ্যে ১৩ জন উত্তীর্ণ ও ৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪২ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
সাবেক রাঙ্গুনিয়া ইন্দ্রকুমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৩ জনের মধ্যে ৩৬ জন উত্তীর্ণ ও ১৭ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬৭ দশমিক ৯২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।
আলহাজ আবুল বশর চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৭ জনের মধ্যে ৩১ জন উত্তীর্ণ ও ১৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
বেগম ইকবাল জাকির হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৩ জনের মধ্যে ৪৮ জন উত্তীর্ণ ও ২৫ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
পশ্চিম সরফভাটা মীরেরশীল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৫ জনের মধ্যে ২৯ জন উত্তীর্ণ ও ১৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
পূর্ব সরফভাটা আইডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬২ জনের মধ্যে ৩৯ জন উত্তীর্ণ ও ২৩ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬২ দশমিক ৯০ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
সোনারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৮ জনের মধ্যে ৩০ জন উত্তীর্ণ ও ১৮ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬২ দশমিক ৫০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
উত্তর পদুয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০১ জনের মধ্যে ৬৩ জন উত্তীর্ণ ও ৩৮ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬২ দশমিক ৩৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।
প. শিলক বেদৌরা আলম চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৩ জনের মধ্যে ৩২ জন উত্তীর্ণ ও ২১ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
রোটারী বেতাগী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৮ জনের মধ্যে ৩৫ জন উত্তীর্ণ ও ২৩ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
কোদালা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৭ জনের মধ্যে ৪০ জন উত্তীর্ণ ও ২৭ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৯ দশমিক ৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।
উত্তর রাঙ্গুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৫০ জনের মধ্যে ৮৮ জন উত্তীর্ণ ও ৬২ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন।
রাঙ্গুনিয়া মজুমদারখীল উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০৪ জনের মধ্যে ৬১ জন উত্তীর্ণ ও ৪৩ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন।
শিলক হামিদ শরীফ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৮ জনের মধ্যে ৩৯ জন উত্তীর্ণ ও ২৯ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
রাজানগর আর,এ,বি,এম উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮৬ জনের মধ্যে ৪৯ জন উত্তীর্ণ ও ৩৭ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া শিক্ষক বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫১ জনের মধ্যে ২৮ জন উত্তীর্ণ ও ২৩ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৪ দশমিক ৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন।
সাহাব্দীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮১ জনের মধ্যে ৪৪ জন উত্তীর্ণ ও ৩৭ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৪ দশমিক ৩২ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
চন্দ্রঘোনা আদর্শ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৪ জনের মধ্যে ৫১ জন উত্তীর্ণ ও ৪৩ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৪ দশমিক ২৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
রাঙ্গুনিয়া খিলমোগল রসিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৩ জনের মধ্যে ৫০ জন উত্তীর্ণ ও ৪৩ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
উত্তর পোমরা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৭ জনের মধ্যে ৪০ জন উত্তীর্ণ ও ৩৭ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন।
সুখবিলাস উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৩ জনের মধ্যে ৪৮ জন উত্তীর্ণ ও ৪৫ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫১ দশমিক ৬১ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
কাউখালী আনোয়ারা বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৩ জনের মধ্যে ২৭ জন উত্তীর্ণ ও ২৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫০ দশমিক ৯৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
হোসনাবাদ লালানগর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪০ জনের মধ্যে ২০ জন উত্তীর্ণ ও ২০ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
মরিয়মনগর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০৬ জনের মধ্যে ৪২ জন উত্তীর্ণ ও ৬৪ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৪৯ দশমিক ৬২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
খুরুশিয়া দ্বারীকোপ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৩ জনের মধ্যে ২৬ জন উত্তীর্ণ ও ২৭ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৪৯ দশমিক ৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
ঘাটচেক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪২ জনের মধ্যে ২০ জন উত্তীর্ণ ও ২২ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৪৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
পূর্ব কোদালা এমএতাহের উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭১ জনের মধ্যে ৩৪ জন উত্তীর্ণ ও ৩৭ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
সরফভাটা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৩৮ জনের মধ্যে ৬২ জন উত্তীর্ণ ও ৭৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।
পদুয়া সম্মিলনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৭ জনের মধ্যে ১৬ জন উত্তীর্ণ ও ২১ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৪৩ দশমিক ২৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
উত্তর পারুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫১ জনের মধ্যে ২১ জন উত্তীর্ণ ও ৩০ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৪১ দশমিক ১১ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
দক্ষিণ শিলক এম. শাহজালাম চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০৮ জনের মধ্যে ৪২ জন উত্তীর্ণ ও ৬৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৩৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
পোমরা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২০ জনের মধ্যে ৪৬ জন উত্তীর্ণ ও ৭৪ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৩৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন।
ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৭ জনের মধ্যে ২১ জন উত্তীর্ণ ও ৩৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৩৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
হরিহর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩০ জনের মধ্যে ১১ জন উত্তীর্ণ ও ১৯ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৩৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
বগাবিলি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৪ জনের মধ্যে ১৪ জন উত্তীর্ণ ও ৩০ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৩১ দশমিক ৮২ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
রাজাভুবন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৯ জনের মধ্যে ২৫ জন উত্তীর্ণ ও ৭৪ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ২৫ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
রফিকাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৪ জনের মধ্যে ১০ জন উত্তীর্ণ ও ৪৪ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ১৮ দশমিক ৫২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ নেই।
সব মিলিয়ে রাঙ্গুনিয়ার ৪১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় ৩ হাজার ৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ১ হাজার ৬৩৬ জন উত্তীর্ণ এবং ১ হাজার ৪১৯ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯ জন। পাসের হার ৫৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
দাখিল পরীক্ষায় ১৫ মাদ্রাসার ফল
দাখিল পরীক্ষায় রাঙ্গুনিয়া নূরুল উলুম কামিল মাদ্রাসায় ৪৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪১ জন উত্তীর্ণ ও ৮ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৮৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
মাদ্রাসা-এ তৈয়বিয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া ফাজিলে ৮১ জনের মধ্যে ৬১ জন উত্তীর্ণ ও ২০ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন।
পোমরা জামেউল উলুম ফাজিল মাদ্রাসায় ৫৫ জনের মধ্যে ৩৯ জন উত্তীর্ণ ও ১৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭০ দশমিক ৯১ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
রাঙ্গুনিয়া আলমশাহ পাড়া কামিল মাদ্রাসায় ৬৯ জনের মধ্যে ৪৭ জন উত্তীর্ণ ও ২২ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬৮ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
উত্তর পদুয়া মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসায় ২১ জনের মধ্যে ১৩ জন উত্তীর্ণ ও ৮ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬১ দশমিক ৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
মরিয়মনগর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় ৩৫ জনের মধ্যে ২১ জন উত্তীর্ণ ও ১৪ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬০ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
দক্ষিণ শিলক তৈয়বিয়া নুরিয়া ছত্তারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ২৭ জনের মধ্যে ১৬ জন উত্তীর্ণ ও ১১ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৯ দশমিক ২৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
বেতাগী রহমানিয়া জামেউল উলুম মাদ্রাসায় ২৭ জনের মধ্যে ১৬ জন উত্তীর্ণ ও ১১ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৯ দশমিক ২৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
জামেয়া নঈমিয়া তৈয়বিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ৬৬ জনের মধ্যে ৩৭ জন উত্তীর্ণ ও ২৯ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
হযরত খাদিজা (রা.) বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় ৫১ জনের মধ্যে ২৮ জন উত্তীর্ণ ও ২৩ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৪ দশমিক ৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
শিলক মীনা গাজীর টিলা মতিউল উলুম দাখিল মাদ্রাসায় ১৮ জনের মধ্যে ৯ জন উত্তীর্ণ ও ৯ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫০ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
আহম্মদিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ৫১ জনের মধ্যে ২৫ জন উত্তীর্ণ ও ২৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৪৯ দশমিক ২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
রানীরহাট আল-আমিন হামেদিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ৬৪ জনের মধ্যে ২৮ জন উত্তীর্ণ ও ৩৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৪৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
হযরত আবদুল কাদের জিলানী দাখিল মাদ্রাসায় ১৯ জনের মধ্যে ৮ জন উত্তীর্ণ ও ১১ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৪২ দশমিক ১১ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
সোনারগাঁও দাখিল মাদ্রাসায় ৪৬ জনের মধ্যে ১৬ জন উত্তীর্ণ ও ৩০ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৩৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
সব মিলিয়ে রাঙ্গুনিয়ার ১৫টি মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষায় ৬৭৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৪০৫ জন উত্তীর্ণ এবং ২৭৪ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন।
এসএসসি (ভোকেশনালে) চার প্রতিষ্ঠানের ফল
এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় রাঙ্গুনিয়া আদর্শ বহুমুখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৮ জন উত্তীর্ণ ও ১৮ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৮১ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
সরফভাটা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৫ জনের মধ্যে ৫০ জন উত্তীর্ণ ও ৫ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯০ দশমিক ৯১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন।
ঘাটচেক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩১ জনের মধ্যে ১১ জন উত্তীর্ণ ও ২০ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৩৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
রাজানগর আর,এ,বি,এম উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৯ জনের মধ্যে ১৮ জন উত্তীর্ণ ও ৬১ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ২২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ নেই।
চারটি প্রতিষ্ঠানে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট ২৬১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৫৭ জন উত্তীর্ণ ও ১০৪ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬০ দশমিক ১৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন।
প্রসঙ্গত: সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে সারাদেশে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন শিক্ষার্থী।
একই সময়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডেও ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন পরীক্ষার্থী। গত বছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে বোর্ডটিতে পাসের হার কমেছে ১২ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
এ ছাড়া বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
