অতিরিক্ত ঔষধ স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ, সমন্বিত চিকিৎসা প্রয়োজন: ডা. মোহাম্মদ শাহ সোলাইমান

ডা. মোহাম্মদ শাহ সোলাইমান (ছবি সংগৃহীত)

 

অতিরিক্ত ঔষধ কোনোভাবেই রোগীর জন্য কাম্য নয়। বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে একাধিক ঔষধ খাওয়া স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে চারটির বেশি ঔষধ সেবনকে polypharmacy বা অতিরিক্ত ঔষধ বলা হয়।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ শাহ সোলাইমান জানান, যেসব রোগীর একাধিক রোগ রয়েছে, তাদেরকে সতর্কতার সঙ্গে ঔষধ দিতে হয়। তবে চিকিৎসা সমন্বয়ের অভাবে রোগীরা প্রায়ই একাধিক বিশেষজ্ঞের ঔষধ একসাথে গ্রহণ করেন, যা ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ডা. শাহ সোলাইমান একটি উদাহরণ দিয়ে বলেন, করিম নামের এক রোগী দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছেন। ডায়াবেটিসের জন্য তার ডাক্তার ঔষধ দিয়েছেন। পরে কিডনিতে সমস্যা দেখা দিলে কিডনীর ডাক্তার ঔষধ দিয়েছেন। এরপর হার্টের সমস্যা দেখা দিলে হার্টের ডাক্তার নতুন ঔষধ দিয়েছেন। এছাড়া রোগী নিজেও কিছু ভিটামিন ও গ্যাস্ট্রিক ঔষধ নিয়মিত গ্রহণ করছেন। ফলে তার ঔষধের তালিকা দীর্ঘ হয়ে গেছে।

এই সমস্যা সমাধানের জন্য রোগীর সাহায্য প্রয়োজন। রোগী প্রেসক্রিপশন ও চলমান ঔষধগুলো সমন্বিতভাবে একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে গেলে সুবিধা হয়। চিকিৎসক দেখতে পারেন, কোন ঔষধ দরকারি, কোনটির পার্শপ্রতিক্রিয়া আছে, কোনটি কার্যকর হচ্ছে না এবং কোনটি আর চলমান রাখার প্রয়োজন নেই। দীর্ঘ ঔষধের তালিকাকে ছোট করার প্রক্রিয়াকেই Deprescribing বলা হয়। তবে কিছু ঔষধ হঠাৎ বন্ধ করা যায় না; ধীরে ধীরে বন্ধ করতে হয়, যা tapering নামে পরিচিত।
ডা. শাহ সোলাইমান আরও বলেন, সমন্বয়ের অভাবই অতিরিক্ত ঔষধের অন্যতম প্রধান কারণ।

ডা. মোহাম্মদ শাহ সোলাইমান
MBBS, BCS, MCPS, MD, MACP
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রিপোর্ট: ডা. মোহাম্মদ শাহ সোলাইমানের ফেসবুক পোস্ট থেকে।

রাউজানে হক কমিটির উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

রাউজান (চট্টগ্রাম): মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ রাউজান রশিদর পাড়া শাখার উদ্যোগে ও সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ জিফু সুলতানের সার্বিক সহযোগিতায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, সংগঠনের অভিষেক এবং বিশ্ব অলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) এর ৩৭তম বার্ষিক ওরশ শরীফ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) শাখা কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী। সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হাফেজ আকতার হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাউজান উপজেলা গাউসিয়া হক কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সমন্বয়ক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। উদ্বোধন করেন শাখার প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবদুল খালেক চৌধুরী।

আলোচক ছিলেন উপজেলা সাংগঠনিক সমন্বয়ক মাওলানা মোহাম্মদ মহিম উদ্দীন মাইজভাণ্ডারী ও মুহাম্মদপুর রমজান আলী হাট শাখার সভাপতি মাওলানা জামাল উদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন, মুহাম্মদ খোরশেদুল আলম চৌধুরী, মুহাম্মদ দেলাওর হোসেন, রাউজান প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সাজ্জাদ, মুহাম্মদ রাসেদ, মুহাম্মদ নূরুল আলম, মুহাম্মদ মাহাবুল আলম, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মুহাম্মদ ওমর ফারুক জিকু, মুহাম্মদ ফারুক প্রমুখ।

পরে সংগঠনের নবনির্বাচিত সভাপতি, সম্পাদক ও কার্যকরী সদস্যদের শপথ বাক্যপাঠ এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। মিলাদ-কিয়াম শেষে বিশ্ববাসীর শান্তি কামনায় মোনাজাত করা হয়।

 

রাঙ্গুনিয়ায় অস্ত্র-গোলাবারুদসহ পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

রাঙ্গুনিয়া টুডে প্রতিবেদক: রাঙ্গুনিয়ায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরকসহ পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) ভোরে উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের পশ্চিম সরফভাটার একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার শফিউল আলম ওরফে শফি (৩৬) ডাকাতি ও অপহরণ মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ জানায়, শফির বাড়ি তল্লাশি করে দুটি একনলা বন্দুক, ১৫টি তাজা কার্তুজ, ১৬টি কার্তুজের খোসা, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ২৩টি পটকা (বিস্ফোরক), কিরিচ, ছুরিসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র এবং কয়েকটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শফি জানিয়েছেন, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ আঞ্চলিক সড়কগুলোতে নাশকতা ও ত্রাস সৃষ্টির কাজে ব্যবহার করা হতো।

দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম জানান, শফির বিরুদ্ধে ডাকাতি ও অপহরণের দুটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। শুক্রবার সকালেই তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।