“পলিথিন ব্যাগে শূন্য সহনশীলতা ঘোষণা: পরিবেশ উপদেষ্টা”

  • ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক: দেশে পলিথিন শপিং ব্যাগ ব্যবহারে শূন্য সহনশীলতার ঘোষণা দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি জানিয়েছেন, এখন থেকে কারও কাছে পলিথিন পাওয়া গেলে তা সঙ্গে সঙ্গে জব্দ করা হবে।

রোববার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যাগ বাজারজাতকরণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, “এবার আর ছাড় দেওয়া হবে না। নিয়মিত বাজার পরিদর্শনের মাধ্যমে পলিথিন নিষিদ্ধকরণ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। আমাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ রক্ষায় পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করতেই হবে।”

তিনি জানান, প্রায় সব সাইজের পাটের ব্যাগ সরকার ভর্তুকি দিয়ে সুলভ মূল্যে সরবরাহ করছে। একটি ব্যাগ একবার কিনলে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা সম্ভব। তাই পলিথিন ব্যবহার করার কোনো অজুহাত আর গ্রহণযোগ্য নয়।

পরিবেশ উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশ ২০০২ সালে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে পলিথিন শপিং ব্যাগ নিষিদ্ধ করেছিল, অথচ ২০২৫ সালেও তা ব্যবহার হচ্ছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। তিনি স্পষ্ট করে জানান, সব ধরনের প্লাস্টিক নয়, কেবল একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক—বিশেষ করে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধের আওতায় আসবে।

মাছ, মাংস ও শাকসবজি বহনে পাটের ব্যাগ ব্যবহারের সুবিধা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব ব্যাগ ধুয়ে বারবার ব্যবহার করা সম্ভব। এতে পরিবেশ রক্ষা হবে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মও সুরক্ষিত থাকবে।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফ এবং পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা উপস্থিত ছিলেন।

ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কাল বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

 

ডেস্ক: বর্তমান পরিস্থিতি ও আসন্ন নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক শুরু হবে রবিবার (৩১ আগস্ট) থেকে। এদিন বৈঠকে অংশ নেবে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি।

শনিবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে সমসাময়িক বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোনো শক্তি বা ষড়যন্ত্রই নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না।

প্রেস সচিব আরও জানান, সমসাময়িক বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কয়েকজন উপদেষ্টা, ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক হয়েছে।

নুরুল হক নুরের ওপর হামলাকে ন্যাক্কারজনক ঘটনা উল্লেখ করে তিনি জানান, এ বিষয়ে একজন হাইকোর্টের বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এসময় তিনি আরও জানান, হামলার ঘটনার পর প্রধান উপদেষ্টা নুরুল হক নুরের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সর্বোচ্চ চিকিৎসার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

ভিপি নুরের ওপর হামলা নিয়ে সরকারের বিবৃতি

ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক: গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা নুরুল হক নূরের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। শনিবার (৩০ আগস্ট) প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কেবল নূরের ওপরই নয়, এ ধরনের সহিংসতা ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার সংগ্রামে জাতিকে একত্রিত করা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেতনার ওপরও আঘাত। এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করার আশ্বাস দিয়েছে সরকার।

তাৎক্ষণিকভাবে নুরুল হক নূর ও তাঁর আহত সহকর্মীদের চিকিৎসা পর্যবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষায়িত মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠানোরও ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

বিবৃতিতে নূরের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করা হয়। বলা হয়, ২০১৮ সালে শেখ হাসিনার শাসনের বিরুদ্ধে কোটা সংস্কার আন্দোলনে তিনি তরুণদের সংগঠিত করেছিলেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা রেখেছিলেন। চব্বিশের জুলাইয়ের অভ্যুত্থান চলাকালে তাঁকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতনেরও উল্লেখ রয়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংকটময় এই সময়ে সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সরকার দৃঢ়ভাবে জানিয়েছে, আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে—২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে বলেও জোর দেওয়া হয়েছে।

দেশব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় দেড় হাজারের বেশি গ্রেপ্তার

সংগৃহীত ছবি

ডেস্ক: সারা দেশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১ হাজার ৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশজুড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মামলা ও ওয়ারেন্টমূলে ৯৮২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে অন্যান্য অপরাধে আরও ৫৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ ছাড়াও অভিযানে রিভলবার, ১২ বোর একনলা বন্ধুক, এলজি বন্ধুক, পিস্তল, জি-৩ রাইফেল, এমএ-১ ভেরিয়েন্ট রাইফেল, এলএম-১৬ ভেরিয়েন্ট রাইফেল, দেশীয় এলজি, পাইপগান, নয়টি ম্যাগাজিন, ৭ রাউন্ড কার্তুজ, ৫১১ রাউন্ড গুলি, তিনটি চাপাতি ও দুইটি চাইনিজ কুড়াল জব্দ করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

 

 

রাঙ্গুনিয়ায় হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

 

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম): রাঙ্গুনিয়ায় হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত সোহেল পাটোয়ারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকালে তাকে গ্রেপ্তার করে পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার সোহেল পাটোয়ারী (৩২) উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কোব্বাতের ঘোনা এলাকার মোহাম্মদ আলী পাটোয়ারীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত ২৩ আগস্ট বিকেলে উপজেলার দক্ষিণ নিশ্চিন্তাপুর ইকো পার্কের সামনে সড়কে গাড়ির গতিরোধ করে স্থানীয় মো. ইউনুছ আলী (৩৪) ও সিএনজি চালক মো. ভুট্টোর (৪১) উপর হামলা চালানো হয়। এ সময় তাদের মাথায় আঘাতসহ পিটিয়ে আহত করা হয়।

পরে আহতদের ভাই হযরত আলী (২০) বাদী হয়ে সোহেল পাটোয়ারীকে প্রধান আসামি এবং আরও দু’জনকে আসামি করে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

অভিযান চালিয়ে পুলিশ মামলার ১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি সোহেলকে কোব্বাতের ঘোনা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদার বলেন, “সোহেল পাটোয়ারী হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি। তার বিরুদ্ধে ১টি হত্যা, ৪টি মারামারি ও ১টি চুরির মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।”

উল্লেখ্য, এর আগে বিএনপির মিটিংয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হামলা উল্লেখ করে এবং এ হামলার প্রতিবাদে গত সোমবার এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের কাপ্তাই সীমান্তবর্তী এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ দলটির বিভিন্ন নেতাকর্মী, ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয়রা অংশ নেন।

 

সারাদেশে সেনা অভিযানে নেটওয়ার্ক ভাঙন: অস্ত্র-মাদকসহ ৯১ জন আটক

ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক: দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরই অংশ হিসেবে গত ২১ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীনস্থ ইউনিটসমূহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

এ সকল অভিযানে চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী, ডাকাত, অবৈধ অস্ত্রধারী, চাঁদাবাজ, দালাল, অসাধু ব্যবসায়ী, মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকাসক্তসহ মোট ৯১ জন অপরাধীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে— ১০টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৮ রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ, ১২ রাউন্ড কার্তুজ, বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র, মাদকদ্রব্য, স্বর্ণালংকার, মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন, বিভিন্ন চোরাই মালামাল ও নগদ অর্থ।

গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ন্ত্রণেও সেনাবাহিনী সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে। দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একইসাথে জনগণকে সন্দেহজনক কার্যকলাপের বিষয়ে নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে তথ্য প্রদানের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ

রাঙ্গুনিয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি: ৪০ ভরি স্বর্ণালংকার ও দুই লাখ টাকা লুট

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম):

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এক প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ৪০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ দুই লাখ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের মধ্য বেতাগী এলাকায় বুধবার (২৭ আগস্ট) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডাকাতদের হামলায় বাড়ির দুই সদস্য আহত হয়েছেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে ১০ থেকে ১২ জনের একদল মুখোশধারী ডাকাত বাড়ির সীমানা প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পরিবারের সবাইকে একটি কক্ষে আটকে রাখে।

ভুক্তভোগী মমতাজ বেগম বলেন, “ডাকাতরা ঘরে ঢুকেই সবার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। বাধা দিতে গেলে খালেদ আহমদ (২৪) ও জাবের আলমকে (২০) তারা মারধর করে। এরপর আলমারি ভেঙে ৪০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ দুই লাখ টাকা, ব্যাংকের চেকবইসহ মূল্যবান কাগজপত্র নিয়ে যায়।”

খবর পেয়ে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাকিব জানান, “বাড়ির পাশের একটি কবরস্থান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পালানোর সময় ডাকাতরা এগুলো ফেলে গেছে।”

তিনি আরও বলেন, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে পরিবার এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

‘“চৌধুরী পরিবারের শক্তি তাকবিরের স্লোগান: হুম্মাম কাদের চৌধুরী”

 

রাঙ্গুনিয়া টুডে প্রতিবেদক:

বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, “অনেকেই অনেক কথা বলে, চৌধুরী পরিবারের আসল শক্তি হলো নারায়ে তাকবির।”

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের লিচুবাগান চত্বরে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, “যদি মনে হয় বিএনপির কোনো নেতা আপনার কাছ থেকে চাঁদা চেয়েছে, তবে এর চেয়ে বড় অপরাধ আর কিছু হতে পারে না। এর শাস্তি আমি নিজেই দেব। দল হয়তো বহিষ্কার করবে, কিন্তু আমি খালি বহিষ্কার করব না—চোখে চোখ রেখে বলতে হবে কে চাঁদা চেয়েছে, তারপর পরিস্থিতি কী হবে আপনারাই জানবেন।”

তিনি বলেন, “অনেকেই বলে ভাইয়া চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমি বলছি, আমি একশন নেব না—আপনারাই ব্যবস্থা নেবেন। এটা আপনাদের দায়িত্ব।”

সভায় নেতাকর্মীদের স্লোগানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “আমাকে তাকবির দিতে বলা হচ্ছে। কিন্তু আমি বলছি, এটা শুধু আমার তাকবির নয়—এটা রাঙ্গুনিয়ার প্রতিটি মুসলমানের তাকবির। এখন থেকে দুইটা স্লোগান দিতে হবে—‘জিয়ার সৈনিক’ আর ‘নারায়ে তাকবির’।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা যদি একসাথে থাকি, একে অপরের পাশে দাঁড়াই, আমাদের হারানোর কেউ থাকবে না। আমরা বিএনপির সদস্য হলেও বারবার প্রমাণ করি, রাঙ্গুনিয়ার মধ্যে পাক্কা মুসলমান নেতৃত্ব দিচ্ছে।”

আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, “প্রার্থী যেই হোন না কেন, আমাদের দায়িত্ব একটাই—বিএনপির প্রার্থীকে জয়ী করে সংসদে পাঠানো। এজন্য আমার ও আমার দলের পাশে দাঁড়িয়ে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে আপনাদের।”

বাবার কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে হুম্মাম বলেন, “আজ আপনাদের দেখে মনে হলো আমি এতিম নই, আমি বাবা হারাইনি। আজ আমার পরিবার আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাকে নমিনেশন দিক বা না দিক, আমি দলে থাকি বা না থাকি, আমি বেঁচে থাকি বা না থাকি—ওয়াদা করে যাচ্ছি, আমার পরিবার সারাজীবন এই রাঙ্গুনিয়ার গোলামী করে যাবে।”

রাঙ্গুনিয়ায় একাধিক মামলার আসামি কুপিয়ে হত্যা

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম):

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় হত্যাসহ একাধিক মামলার এক আসামিকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

নিহত মো. রুবেল (৩৫) উপজেলার দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার পদুয়া ইউনিয়নের হারুয়ালছড়ি এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে।

দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম জানান, বুধবার গভীর রাতে হারুয়ালছড়ি এলাকায় রুবেলের বাড়িতে ঢুকে তাকে হত্যা করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাতে ওসি বলেন, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা রুবেলের ঘরে প্রবেশ করে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রুবেলের গলার বাম পাশ কেটে ফেলে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদনের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ওসি সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম বলেন, “নিহত রুবেল একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে প্রায় ১১টি মামলা ছিল।”
প্রাথমিকভাবে পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

ওসি আরও জানান, ঘটনার সময় রুবেলের সঙ্গে মো. মোরশেদ নামে আরও একজন ছিলেন যিনি হামলায় আহত হয়েছেন বলে শোনা গেলেও ঘটনাস্থলে তাকে পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

রাঙ্গুনিয়ায় সড়কের পাশ থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

 

 

রাঙ্গুনিয়া টুডে প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় সড়কের পাশ থেকে রোজি আকতার (৫০) নামে এক নারীর পা ও মাথা থেতলানো লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের উপজেলার মরিয়মনগর কাটাখালী এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রোজি আকতার(৫০) শিলক ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মো. জসিম উদ্দিনের স্ত্রী।

থানা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার রাত ৮টার দিকে রোজি আকতার তার বাপের বাড়ি মরিয়মনগর কালুগোট্টার উদ্দেশ্যে বের হন। পরদিন সকালে স্থানীয়রা কাটাখালী এলাকায় সড়কের পাশে তার পা ও মাথা থেতলানো মরদেহ দেখতে পান। ঘটনাস্থল তার বাপের বাড়ির কাছাকাছি হওয়ায় স্থানীয়রা তাকে শনাক্ত করে পরিবার ও থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ওসি এটিএম শিফাতুল মাজদার বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই ভিকটিমের মৃত্যু হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় থানায় সড়ক পরিবহন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

 

রাঙ্গুনিয়ায় আদালতের রায়ে ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেয়া, নিলামে ইট বিক্রি

 

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় আদালতের রায়ে একটি ইটভাটার ১২০ ফুট উচ্চতার ফিক্সড চিমনি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়।

এছাড়াও ইটভাটার সাড়ে ৩ লাখ ইট উন্মোক্ত নিলামের মাধ্যমে তিন লাখ আট হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়া হয়েছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকালে উপজেলার দক্ষিণ রাজনগর ইউনিয়নের সোনারগাঁও এলাকায় অবস্থিত মেসার্স আল মদিনা ব্রিকস নামক ইটভাটায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল হাসান।

সুত্রে জানা যায়, পরিবেশ আদালত, চট্টগ্রাম এর পরিবেশ মামলা নং ০৩/২০১১ এর রায়ের আদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এই অভিযান চালানো হয়। উচ্ছেদ অভিযানে মেসার্স আল-মদিনা ব্রিকস-১ ইটভাটাটির ১২০ ফুট উচ্চতার ফিক্সড চিমনি ধ্বংস করে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ২০১১ সালের মামলায় জব্দকৃত ৩ লক্ষ ৫০ হাজার ইট উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করা হয়। উক্ত নিলাম কার্যক্রমে সর্বোচ্চ দর ডাককারী মো. সাইফুজ্জামানের কাছে ৩ লাখ ৮ হাজার টাকা দরে বিক্রি করে বুঝিয়ে দিয়ে নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

বিজ্ঞ আদালতের রায় বাস্তবায়ন অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মোজাহিদুর রহমান, রিসার্চ অফিসার মো. আশরাফ উদ্দিন এবং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কাজী ইফতেকার উদ্দিন। অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ছিলেন রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।

 

রাঙ্গুনিয়ায় যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তর

 

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় তৌহিদুল ইসলাম আরিফ (২৬) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি এটিএম শিফাতুল মাজদার জানান, সকালে আরিফকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে সুরতহাল শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়। নিহতের বাবা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।

এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, প্রেমঘটিত বিষয়ে ছেলের সঙ্গে মায়ের ঝগড়া হয় আগের রাতে। পরদিন সকালে দীর্ঘ সময় রুম থেকে বের না হলে দরজা ভেঙে আরিফকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, আপাতত এটি অপমৃত্যু মামলা হলেও প্রকৃত কারণ উদঘাটনে লাশ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিহত আরিফ উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সাহাব্দীনগর বলির বাড়ির আবদুল কুদ্দুসের ছেলে।

 

মোবাইলে জুয়া অ্যাপ পেলেই শাস্তি: দুই বছরের জেল ও অর্থদণ্ড

ডেস্ক: মোবাইলে অনলাইন জুয়ার অ্যাপ ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মেহেরপুরের পুলিশ সুপার মাকসুদা আকতার খানম। তিনি জানান, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২০ অনুযায়ী অনলাইন জুয়া খেলা, জুয়া-সম্পর্কিত অ্যাপ বা পোর্টাল তৈরি এবং তার প্রচারণা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অপরাধে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

গত সোমবার (২৫ আগস্ট) মেহেরপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত কমিউনিটি পুলিশিং ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পুলিশ সুপার বলেন, “যারা মনে করেন অনলাইন জুয়া লটারির মতো সহজে টাকা কামানোর উপায়, তারা খেলার আগে অন্তত দুইবার ভাবুন। আমাদের ধর্ম, সমাজ এবং দেশের আইন কোনোভাবেই জুয়াকে সমর্থন করে না।”

তিনি আরও জানান, মেহেরপুর জেলাকে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। মোবাইলে জুয়া অ্যাপ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জামিনুর রহমান খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল করিম, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোপালসহ জেলার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি।

শেষে পুলিশ সুপার সবাইকে অনলাইন জুয়া থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই অপরাধে জড়িত কেউ ছাড় পাবে না।”

রাঙ্গুনিয়ায় বেতাগীর চম্পাতলীতে ব্রীজ ভেঙে জনদুর্ভোগ

এম জাহাঙ্গীর নেওয়াজ, রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম):

রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের জনগুরুত্বপূর্ণ মধ্য বেতাগী চম্পাতলী এলাকার একটি সড়ক দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে একটি ব্রীজ ভেঙে পড়ার কারণে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোটারি বেতাগী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, হাফেজ হাকিম মাওলানা মুহাম্মদ বজলুল রহমান (রহ.) ঈদগাহ ও চম্পাতলী কবরস্থানে আসা-যাওয়া করা সাধারণ মানুষ, এবং আশপাশের হাজারো বাসিন্দা প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করে থাকেন। কয়েক মাস ধরে ব্রীজটি ভেঙে পড়ে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ২৪ আগস্টের পর কিছু মাটি খেকোদের ভারী যানবাহনের চলাচলের ফলে ব্রীজটি ভেঙে পড়ে। এরপর থেকেই ব্রীজটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে থাকলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

একজন বাসিন্দা মুহাম্মদ তৈয়ব জানান, “এই সড়ক দিয়ে অনেক মানুষ কষ্ট করে চলাচল করে। কেউ মারা গেলে লাশ অন্য রাস্তা দিয়ে ঘুরিয়ে কবরস্থানে নিয়ে যেতে হয়।”

এদিকে, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জানান, বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে একাধিকবার জানানো হলেও তিনি গুরুত্ব দেননি। তিনি আরও জানান, “সরকারি কোনো বরাদ্দ পেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।”

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, “ব্রীজটি নিয়ে আমি চেষ্টা করছি, আগামী মাসে কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা এলজিইডি (LGED) অফিসের কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, “আমি নতুন যোগদান করেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হাইকোর্টে নতুন ২৫ অতিরিক্ত বিচারপতির শপথ গ্রহণ

সংগৃহীত ছবি

ডেস্ক: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নবনিযুক্ত ২৫ জন অতিরিক্ত বিচারপতিকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে এ শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার (বিচার) মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন। অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, সোমবার রাতে তাদের নিয়োগ দিয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে সংবিধানের ৯৮ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে ২৫ ব্যক্তিকে অনধিক দুই বছরের জন্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ দিয়েছেন। এ নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

এই ২৫ জন বিচারপতির মধ্যে ৯ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, ৯ জন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ৭ জন আইন কর্মকর্তা অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। শপথগ্রহণের পর থেকেই তাদের নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।

নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত অতিরিক্ত বিচারপতিরা হলেন— সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীন, আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম, চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মো. নুরুল ইসলাম, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব শেখ আবু তাহের, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেল আজিজ আহমেদ ভূঞা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাজিউদ্দিন আহমেদ, ফয়সাল হাসান আরিফ, আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম সাইফুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আসিব হাসান, মো. জিয়াউল হক, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দিহিদার মাসুম কবির, হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন আরা বেগম, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সচিব মুরাদ-এ-মাওলা সোহেল, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন, সলিসিটর মো. রফিকুল ইসলাম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনজুর আলম, মো. লুৎফর রহমান, রেজাউল করিম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাতেমা আনোয়ার, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদ হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আব্দুর রহমান, সৈয়দ হাসান যুবাইর, ডেপুটি জেনারেল এ এফ এম সাইফুল করিম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উর্মি রহমান এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম ইফতেখার
উদ্দিন মাহমুদ।

 

বাবার রিকশার ব্যাটারি চুরি, ছেলে জড়িত—গ্রেপ্তার ২

 

রাঙ্গুনিয়া টুডে প্রতিবেদক: 

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় চোরাই ব্যাটারিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম শফাতুল মাজদার জানান, সোমবার দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে অভিযান চালিয়ে চোরাই মালামালসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—অভিযোগকারীর ছেলে মো. আরাফাত হোসেন (২২) ও চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ থানার বাসিন্দা তরিকুল ইসলামের ছেলে কামরুল ইসলাম (৩২)।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে রাঙ্গুনিয়ার পোমরা ইউনিয়নে আব্দুল মালেক ওরফে মানিক (৪৬) নামে এক ব্যক্তির নিজস্ব ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা থেকে চারটি ব্যাটারি চুরি হয়। প্রতিটি ব্যাটারির মূল্য ২৫ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ টাকা।

ঘটনার পর রাঙ্গুনিয়া মডেল থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। এসময় মো. আরাফাত হোসেনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি চুরির সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেন এবং কামরুলসহ অন্যদের নাম প্রকাশ করেন।

এরপর ওই তথ্যের ভিত্তিতে রাতেই অভিযান চালিয়ে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দবাড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম–কাপ্তাই সড়কের পাশে কামরুলের মালিকানাধীন ভাঙারির দোকান থেকে চুরি হওয়া চারটি ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে কামরুলকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে তাদের দুজনের বিরুদ্ধে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

 

ভূমিদস্যুদের কোনো ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক: ভূমিদস্যুদের কোনো অবস্থায় ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, “সবাইকে একযোগে ভূমিদস্যুদের প্রতিহত করতে হবে।”

মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জে শুভাঢ্যা খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, “মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় লুট করা অস্ত্র দিয়ে পুলিশের ক্যাম্পে হামলার ঘটনায় দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে যৌথ বাহিনী। খাল দখলকারীদেরও কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। শুভাঢ্যা খাল এলাকায় ভূমিদস্যুর সংখ্যা অনেক বেশি। তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”

অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, “খালের পাড় যেন পুনরায় কেউ দখল করতে না পারে, সে লক্ষ্যে ঢালাই করে সুরক্ষা দেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, খাল দখল ও দূষণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয় অনুষ্ঠানে।

অস্ত্র উদ্ধারে পুরস্কার, গোপন থাকবে তথ্যদাতার পরিচয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

 

ডেস্ক:

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিলে পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

সোমবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, দেশের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা করেছে সরকার। প্রতিটি গুলির জন্য ৫০০ টাকা, এলএমজি পাঁচ লাখ টাকা, চায়না রাইফেল এক লাখ, এসএমজি এক লাখ পঞ্চাশ হাজার, পিস্তল ও শটগান উদ্ধারে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হবে।
“যেসব ব্যক্তি অস্ত্র উদ্ধারে সহায়তা করবেন, তাদের পরিচয় সম্পূর্ণরূপে গোপন রাখা হবে বলেও জানান তিনি।”

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে এখন অনেক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনও দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। এ নিয়ে কারও কাছে কোনও তথ্য থাকলে দিতে বলেন তিনি।

তিনি আরও জানান, নির্বাচনের আগেই ছিনতাই ও চাঁদাবাজি কমে আসবে।

সড়কে যানবাহন বন্ধ করে চলাচলের অপরাধে শিগগিরই গাজীপুরের পুলিশ কমিশনারকে শোকজ করা হবে বলেও জানান তিনি।

দুর্নীতি প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ে সরব দুদক, সিরাজগঞ্জে গণশুনানি

ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক: “সবাই মিলে গড়বো দেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ” শ্লোগানকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ১৮১ তম গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পাবনা আয়োজিত এই গণশুনানি রবিবার (২৪ আগস্ট ) জেলা শিল্প কলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুদকের কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, “সমাজে অসংগতি, অনিয়ম ও দুর্নীতি দেখলে তা প্রতিরোধে সোচ্চার হতে হবে। দুর্নীতি পুরো সমাজে ছড়িয়ে গেছে, তাই তা নির্মূল করা কঠিন। তবে সেবা গ্রহীতাদের সচেতনতা এবং সেবাদাতাদের আন্তরিকতায় দুর্নীতির মাত্রা কমানো সম্ভব। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সকল দপ্তরের কর্মচারীদের দেশ ও জনসেবায় আরও যত্নশীল হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “দুদক সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবার মান উন্নয়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গণশুনানি আয়োজন করে। সমাজে দুর্নীতি বিরোধী সংস্কৃতি গড়ে তুলতে মাঠ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অন্যায় করলে কেউ ছাড় পাবে না, আজকের গণশুনানিও তার প্রমাণ।”

জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আকতার হোসেন, মহাপরিচালক (তদন্ত-১) মো. রেজাউল কবির, সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেন ও রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক মো. ফজলুল হক।

গণশুনানিতে ৩৬টি সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি দপ্তরের বিরুদ্ধে জমা ১৪০টি অভিযোগের মধ্যে ১০৫টির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৩২টি অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান, ২৬টি অভিযোগে বিভাগীয়ভাবে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ৩৪টি অভিযোগের তাৎক্ষণিক সমাধান দেয়া হয়েছে। আদালতে মামলা চলায় ৩টি অভিযোগের সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

সন্তানের জন্য রওনা, সড়কে শেষ হয়ে গেল জনির জীবন

রাঙামাটি:

রাঙামাটিতে স্কুল থেকে সন্তানকে আনতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় খোরশেদুল আলম জনি (৩৯) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

রবিবার দুপুরে শহরের ট্রাক টার্মিনাল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলযোগে সন্তানকে আনার জন্য রওনা দেন জনি। পথে একটি অটোরিকশার সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে পড়ে গেলে পেছন থেকে আসা ট্রাক তাকে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নেয়ার পর সেখানে তার মৃত্যু হয়।

নিহত জনি তবলছড়ি বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি জহির আহম্মেদের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক।

রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ওসি মো. সাহেদ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনজন পুলিশ সদস্যের মানবিক কর্মকাণ্ডে সিএমপি কমিশনারের স্বীকৃতি

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম: অসাধারণ মানবিক কর্মকাণ্ড ও দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনজন পুলিশ সদস্যকে রবিবার (২৪ আগস্ট) সিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে পুরস্কৃত করেছেন সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ, বিপিএম। অনুষ্ঠানে তাদের হাতে নগদ অর্থ ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

গত ০৯ আগস্ট নগরীর দেওয়ানহাট মোড়ে দায়িত্ব পালনের সময় প্রসব বেদনায় কাতর এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়িয়ে দ্রুত ও মানবিক পদক্ষেপের মাধ্যমে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট মোঃ আব্দুল্লাহ আল মোজাহিদ, সার্জেন্ট মোঃ জাহিদুর রহমান এবং কনস্টেবল মহিউদ্দীন হোসেন।

সিএমপি কমিশনার এই কর্মকাণ্ডকে “পুলিশের দায়িত্বশীলতা ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত” হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন,
“এমন কর্মকাণ্ড সমাজে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় করবে।”

তিনি সকল পুলিশ সদস্যকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এ ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহবান জানান।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান বৈঠকে ভিসামুক্ত ভ্রমণসহ ছয় চুক্তি-সমঝোতা সই

সংগৃহীত ছবি

ডেস্ক: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ছয়টি চুক্তি ও সমঝোতা সই হয়েছে।

রোববার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন ও পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের উপস্থিতিতে এসব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানানো হয়।

চুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে— সরকারি ও কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের ভিসামুক্ত ভ্রমণ, বাণিজ্য সংক্রান্ত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন, তিন বছর মেয়াদি সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচি, দুই দেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমির মধ্যে সহযোগিতা, সরকারি বার্তাসংস্থার মধ্যে সমঝোতা এবং গবেষণা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমঝোতা।

বৈঠকে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার দাবি করেন, একাত্তরের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো এরইমধ্যে তাদের দেশ সমাধান করেছে।

সফরসূচি অনুযায়ী আজ সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করবেন ইসহাক দার। রাতে গুলশানে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নেবেন তিনি।

এর আগে শনিবার দুপুরে দুই দিনের সরকারি সফরে ঢাকা আসেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী। পৌঁছানোর পর তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

রুমিন ফারহানার কর্মীদের হাতে এনসিপি নেতাকে মারধরের অভিযোগ: সারজিস আলম

 

ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক: এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম অভিযোগ করেছেন যে, রুমিন ফারহানার কর্মীরা এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছেন। তিনি রবিবার (২৪ আগস্ট) এ সংক্রান্ত তথ্য নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেন।

এক ফেসবুক পোস্টে সারজিস আলম বলেন, ‘একদিকে জনাব রুমিন ফারহানার পোষ্য কর্মীরা এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাকে শারীরিকভাবে আঘাত করছে, আর অন্যদিকে জনাব রুমিন ফারহানা গাল-মুখ ফুলিয়ে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও আইনজীবী ভাব নিয়ে অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে দেখেও না দেখার ভান করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘টকশোতে বড় বড় সুশীলতা দেখানো যায়, লেকচার দেয়া যায়। কাজ দিয়ে প্রকাশ পায়- কে সুযোগ পেলে আবার আগের পথে হাঁটবে আর কে সংশোধন হবে।’

ইসি অফিসে আপিল শুনানিতে যোগ দিতে গিয়ে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আতাউল্লাহও বিএনপি নেতা রুমিন ফারহানার কর্মীদের হাতে মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ করে সারজিস আলম বলেন, ‘তার (আতাউল্লাহ) অপরাধ শুধু সীমানা পুনঃনির্ধারণের বিরোধিতা করে আপিল করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি কি আওয়ামী লীগের চরিত্র ফিরতে চায়? জোর যার, মূলুক তার বানাতে চায়? এই সুযোগ আর দেয়া হবে না।’

ইসি প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলে সারজিস বলেন, ‘ইসির ভেতরে যদি একজন শীর্ষ নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে এই অথর্ব ইসি কীভাবে সারা বাংলাদেশে অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং সুষ্ঠু ভোট সম্পন্ন করবে?’

প্রসঙ্গত আজ রবিবার (২৪শে আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের ওপর জমা হওয়া আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়। এর কিছুক্ষণ পর দুপুর ১টার দিকে শুনানিকালে দু’পক্ষে ধাক্কাধাক্কি-হাতাহাতি ও কিল-ঘুষির ঘটনা ঘটে।

যাদের জন্য ১৫ বছর লড়লাম, এখন তারাই ধাক্কা দেয়’ — রুমিন ফারহানা

ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক: বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, “গত ১৫ বছর যে বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য লড়াই করলাম, তারাই এখন আমাকে ধাক্কা দেয়। ঠিক আছে, ধাক্কার বদলে ধাক্কা আসবেই।”

রোববার (২৪ আগস্ট) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা এ কথা বলেন।

এদিন সংসদীয় আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণে ইসিতে দাবি-আপত্তির শুনানিতে অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে যিনি আছেন তিনি পিটিয়ে পিটিয়ে মানুষের স্বীকারোক্তি নিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে আমরা প্রেজেন্ট (উপস্থাপন) করেছি। জনসংখ্যার বিবেচনায় নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটা সঠিক সিদ্ধান্ত। আমার বিষয়গুলো আমি নিজে প্রেজেন্ট করব, তাই করেছি।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘আশা করেছিলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে যিনি আছেন, তিনি গুন্ডা-পান্ডা নিয়ে ইসিতে ঢুকবেন না। কিন্তু তারা গুন্ডা নিয়ে ইসিতে এসেছেন। এই আসনের প্রার্থী তার গুন্ডা-পান্ডা সদলবল নিয়ে ইসিতে এসে মারামারি করেছেন- এটা খুবই লজ্জাজনক। এতে কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে’।

এনসিপির কর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতি প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, উনি যেহেতু পরিচিত মুখ নয়, সুতরাং উনি জামায়াত না এনসিপি আমার জানা নেই। তবে উনার লোকজন প্রথম আমাকে ধাক্কা দিয়েছে। ‍আর আমাকে ধাক্কা দিলে আমার লোকজন তো বসে থাকবে না, কারণ আমি একজন নারী। আমার লোকজনকে যখন মারধর করেছে, তখন আমার লোকজনও জবাব দিয়েছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, বিএনপি সবসময় ২০০৮ সালের আগের আসনসীমায় ফেরার দাবি জানিয়ে এসেছে। কারণ মাঝের ১৫ বছরে একটি ফ্যাসিস্ট সরকার নিজেদের স্বার্থে সীমানা পরিবর্তন করেছিল, যা তারা মানেন না। তাই খালেদা জিয়ার ইচ্ছা অনুযায়ী ২০০৮ সালের আগের সীমানায় ফেরাই সঠিক সিদ্ধান্ত হবে।

তিনি আরও বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক যে আজ নির্বাচন কমিশনে মারামারির ঘটনা ঘটেছে—যা গত ১৫ বছরে হয়নি। যাদের জন্য এতদিন লড়াই করলাম, সেই বিএনপির নেতা-কর্মীরাই আজ আমাকে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার জবাবে ধাক্কা তো আসবেই।

 

অতিরিক্ত ঔষধ স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ, সমন্বিত চিকিৎসা প্রয়োজন: ডা. মোহাম্মদ শাহ সোলাইমান

ডা. মোহাম্মদ শাহ সোলাইমান (ছবি সংগৃহীত)

 

অতিরিক্ত ঔষধ কোনোভাবেই রোগীর জন্য কাম্য নয়। বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে একাধিক ঔষধ খাওয়া স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে চারটির বেশি ঔষধ সেবনকে polypharmacy বা অতিরিক্ত ঔষধ বলা হয়।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ শাহ সোলাইমান জানান, যেসব রোগীর একাধিক রোগ রয়েছে, তাদেরকে সতর্কতার সঙ্গে ঔষধ দিতে হয়। তবে চিকিৎসা সমন্বয়ের অভাবে রোগীরা প্রায়ই একাধিক বিশেষজ্ঞের ঔষধ একসাথে গ্রহণ করেন, যা ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ডা. শাহ সোলাইমান একটি উদাহরণ দিয়ে বলেন, করিম নামের এক রোগী দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছেন। ডায়াবেটিসের জন্য তার ডাক্তার ঔষধ দিয়েছেন। পরে কিডনিতে সমস্যা দেখা দিলে কিডনীর ডাক্তার ঔষধ দিয়েছেন। এরপর হার্টের সমস্যা দেখা দিলে হার্টের ডাক্তার নতুন ঔষধ দিয়েছেন। এছাড়া রোগী নিজেও কিছু ভিটামিন ও গ্যাস্ট্রিক ঔষধ নিয়মিত গ্রহণ করছেন। ফলে তার ঔষধের তালিকা দীর্ঘ হয়ে গেছে।

এই সমস্যা সমাধানের জন্য রোগীর সাহায্য প্রয়োজন। রোগী প্রেসক্রিপশন ও চলমান ঔষধগুলো সমন্বিতভাবে একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে গেলে সুবিধা হয়। চিকিৎসক দেখতে পারেন, কোন ঔষধ দরকারি, কোনটির পার্শপ্রতিক্রিয়া আছে, কোনটি কার্যকর হচ্ছে না এবং কোনটি আর চলমান রাখার প্রয়োজন নেই। দীর্ঘ ঔষধের তালিকাকে ছোট করার প্রক্রিয়াকেই Deprescribing বলা হয়। তবে কিছু ঔষধ হঠাৎ বন্ধ করা যায় না; ধীরে ধীরে বন্ধ করতে হয়, যা tapering নামে পরিচিত।
ডা. শাহ সোলাইমান আরও বলেন, সমন্বয়ের অভাবই অতিরিক্ত ঔষধের অন্যতম প্রধান কারণ।

ডা. মোহাম্মদ শাহ সোলাইমান
MBBS, BCS, MCPS, MD, MACP
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রিপোর্ট: ডা. মোহাম্মদ শাহ সোলাইমানের ফেসবুক পোস্ট থেকে।

রাউজানে হক কমিটির উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

রাউজান (চট্টগ্রাম): মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ রাউজান রশিদর পাড়া শাখার উদ্যোগে ও সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ জিফু সুলতানের সার্বিক সহযোগিতায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, সংগঠনের অভিষেক এবং বিশ্ব অলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) এর ৩৭তম বার্ষিক ওরশ শরীফ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) শাখা কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী। সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হাফেজ আকতার হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাউজান উপজেলা গাউসিয়া হক কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সমন্বয়ক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। উদ্বোধন করেন শাখার প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবদুল খালেক চৌধুরী।

আলোচক ছিলেন উপজেলা সাংগঠনিক সমন্বয়ক মাওলানা মোহাম্মদ মহিম উদ্দীন মাইজভাণ্ডারী ও মুহাম্মদপুর রমজান আলী হাট শাখার সভাপতি মাওলানা জামাল উদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন, মুহাম্মদ খোরশেদুল আলম চৌধুরী, মুহাম্মদ দেলাওর হোসেন, রাউজান প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সাজ্জাদ, মুহাম্মদ রাসেদ, মুহাম্মদ নূরুল আলম, মুহাম্মদ মাহাবুল আলম, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মুহাম্মদ ওমর ফারুক জিকু, মুহাম্মদ ফারুক প্রমুখ।

পরে সংগঠনের নবনির্বাচিত সভাপতি, সম্পাদক ও কার্যকরী সদস্যদের শপথ বাক্যপাঠ এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। মিলাদ-কিয়াম শেষে বিশ্ববাসীর শান্তি কামনায় মোনাজাত করা হয়।

 

রাঙ্গুনিয়ায় অস্ত্র-গোলাবারুদসহ পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

রাঙ্গুনিয়া টুডে প্রতিবেদক: রাঙ্গুনিয়ায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরকসহ পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) ভোরে উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের পশ্চিম সরফভাটার একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার শফিউল আলম ওরফে শফি (৩৬) ডাকাতি ও অপহরণ মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ জানায়, শফির বাড়ি তল্লাশি করে দুটি একনলা বন্দুক, ১৫টি তাজা কার্তুজ, ১৬টি কার্তুজের খোসা, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ২৩টি পটকা (বিস্ফোরক), কিরিচ, ছুরিসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র এবং কয়েকটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শফি জানিয়েছেন, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ আঞ্চলিক সড়কগুলোতে নাশকতা ও ত্রাস সৃষ্টির কাজে ব্যবহার করা হতো।

দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম জানান, শফির বিরুদ্ধে ডাকাতি ও অপহরণের দুটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। শুক্রবার সকালেই তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

 

প্রধান উপদেষ্টার হাতে সাগর-রুনির সন্তানের জমির দলিল হস্তান্তর, মামলায় তদন্ত দ্রুত শেষ করার নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক: নিহত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির সন্তান মাহির সরওয়ার মেঘের কাছে পূর্বাচলে তিন কাঠা জমির দলিল হস্তান্তর করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ বৃহস্পতিবার(২১ আগস্ট) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মাহির সরওয়ার মেঘের হাতে এই দলিল হস্তান্তর করেন প্রধান উপদেষ্টা।

সাংবাদিক সাগর সরওয়ার এই প্লটটি ২০০৪ সালে আবেদন করে ২০০৫ সালে বরাদ্দ পান। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করার পরও বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এই প্লট সাগর সরওয়ারের পরিবারকে এই প্লটটি বুঝিয়ে দেয়নি।

উত্তরাধিকার সূত্রে এই প্লটের বর্তমান মালিক সাগর সরওয়ারের মা সালেহা মনির এবং মাহির সরওয়ার মেঘ।

প্লটের দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

তিনি বলেন, “তদন্তে এ ধরনের দীর্ঘসূত্রিতা মানুষের মধ‍্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে, আইনি ব্যবস্থা সম্পর্কে মানুষ হতাশ হয়ে পড়ে।”

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেৃপক্ষকে আলোচিত এই হত‍্যা মামলায় দ্রুত তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।

বৈঠকে উপস্থিত গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, তদন্তের দীর্ঘসূত্রিতার সুযোগ বহু আলামত নষ্ট করে ফেলা হয়েছে বলে জানতে পেরেছে বর্তমান তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

এসময় মেঘ তার নিজের ডিজাইন করা এরা একটি জার্সি ও ব‍্যাগ প্রধান উপদেষ্টাকে উপহার দেন।

দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন‍্যান‍্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার, ফরিদা আখতার ও সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, রাজধানীর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং মেহেরুন রুনির ভাই নওয়াজেশ আলম রোমান।

মাদকবিরোধী অভিযানে রাঙ্গুনিয়ায় দুইদিনে ছয়জনের কারাদণ্ড

রাঙ্গুনিয়া টুডে প্রতিবেদক: 

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুই দিনে ছয়জনকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদের প্রত্যেককে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় দণ্ড দেয়া হয়েছে।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) উপজেলার চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান ও ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার মাদকসেবিকে আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুল হাসান। অভিযানে সহায়তা করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমানসহ পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বনগ্রাম এলাকার মো. রেজাউল করিম, চন্দ্রঘোনা নবগ্রামের মো. ইউসুফ, একই এলাকার মো. শাকিল ইসলাম এবং রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মুরাদনগর এলাকার মো. জাহেদ হোসেন। প্রত্যেককে ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মো. ইউসুফকে ৩ মাস, বাকি তিনজনকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে গাজা ও মাদক সেবন সরঞ্জামাদি ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার (২০ আগস্ট) উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন জিয়ানগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পোমরা ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকার মো. রাসেল (১৯) এবং রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ঊনসত্তর পাড়া এলাকার মো. নয়ন (১৯)-কে আটক করা হয়েছিল। তাদেরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রাঙ্গুনিয়াকে মাদকমুক্ত রাখতে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করা হচ্ছে। ইউএনও মো. কামরুল হাসান জানিয়েছেন, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চট্টগ্রামে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা: যুব ও স্বাস্থ্যখাতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে বুধবার (২০ আগস্ট) জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে গতিশীল করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে তরুণদের সম্পৃক্ত রেখে বর্ষব্যাপী “তারুণ্যের উৎসব” কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয় এবং প্রতিটি দপ্তরকে ক্যালেন্ডার তৈরি করে জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আগামী ১২ অক্টোবর ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের টাইফয়েড টিকা প্রদানের বিষয়ে সবাইকে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বিবেচনায় নিয়ে মশা নিধনে স্প্রে কার্যক্রম চালানোর বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সভায় যুব উন্নয়ন, কৃষি, পল্লী উন্নয়ন, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও স্বাস্থ্য প্রকৌশলসহ বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম আলোচনা করা হয়। জেলার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে প্রতিটি দপ্তরকে আরও সক্রিয় ও সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এসময় সভায় ঋণ আদায়, কৃষকদের উন্নত বীজ সরবরাহ, মডেল মসজিদ নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, যৌন হয়রানি প্রতিরোধসহ নানা বিষয়ে আলোচনা ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী রওশন ইসলাম, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুজ্জামান সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।