রাঙ্গুনিয়ায় আদালতের রায়ে ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেয়া, নিলামে ইট বিক্রি

 

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় আদালতের রায়ে একটি ইটভাটার ১২০ ফুট উচ্চতার ফিক্সড চিমনি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়।

এছাড়াও ইটভাটার সাড়ে ৩ লাখ ইট উন্মোক্ত নিলামের মাধ্যমে তিন লাখ আট হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়া হয়েছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকালে উপজেলার দক্ষিণ রাজনগর ইউনিয়নের সোনারগাঁও এলাকায় অবস্থিত মেসার্স আল মদিনা ব্রিকস নামক ইটভাটায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল হাসান।

সুত্রে জানা যায়, পরিবেশ আদালত, চট্টগ্রাম এর পরিবেশ মামলা নং ০৩/২০১১ এর রায়ের আদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এই অভিযান চালানো হয়। উচ্ছেদ অভিযানে মেসার্স আল-মদিনা ব্রিকস-১ ইটভাটাটির ১২০ ফুট উচ্চতার ফিক্সড চিমনি ধ্বংস করে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ২০১১ সালের মামলায় জব্দকৃত ৩ লক্ষ ৫০ হাজার ইট উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করা হয়। উক্ত নিলাম কার্যক্রমে সর্বোচ্চ দর ডাককারী মো. সাইফুজ্জামানের কাছে ৩ লাখ ৮ হাজার টাকা দরে বিক্রি করে বুঝিয়ে দিয়ে নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

বিজ্ঞ আদালতের রায় বাস্তবায়ন অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মোজাহিদুর রহমান, রিসার্চ অফিসার মো. আশরাফ উদ্দিন এবং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কাজী ইফতেকার উদ্দিন। অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ছিলেন রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।

 

রাঙ্গুনিয়ায় যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তর

 

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় তৌহিদুল ইসলাম আরিফ (২৬) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি এটিএম শিফাতুল মাজদার জানান, সকালে আরিফকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে সুরতহাল শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়। নিহতের বাবা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।

এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, প্রেমঘটিত বিষয়ে ছেলের সঙ্গে মায়ের ঝগড়া হয় আগের রাতে। পরদিন সকালে দীর্ঘ সময় রুম থেকে বের না হলে দরজা ভেঙে আরিফকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, আপাতত এটি অপমৃত্যু মামলা হলেও প্রকৃত কারণ উদঘাটনে লাশ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিহত আরিফ উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সাহাব্দীনগর বলির বাড়ির আবদুল কুদ্দুসের ছেলে।

 

মোবাইলে জুয়া অ্যাপ পেলেই শাস্তি: দুই বছরের জেল ও অর্থদণ্ড

ডেস্ক: মোবাইলে অনলাইন জুয়ার অ্যাপ ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মেহেরপুরের পুলিশ সুপার মাকসুদা আকতার খানম। তিনি জানান, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২০ অনুযায়ী অনলাইন জুয়া খেলা, জুয়া-সম্পর্কিত অ্যাপ বা পোর্টাল তৈরি এবং তার প্রচারণা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অপরাধে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

গত সোমবার (২৫ আগস্ট) মেহেরপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত কমিউনিটি পুলিশিং ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পুলিশ সুপার বলেন, “যারা মনে করেন অনলাইন জুয়া লটারির মতো সহজে টাকা কামানোর উপায়, তারা খেলার আগে অন্তত দুইবার ভাবুন। আমাদের ধর্ম, সমাজ এবং দেশের আইন কোনোভাবেই জুয়াকে সমর্থন করে না।”

তিনি আরও জানান, মেহেরপুর জেলাকে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। মোবাইলে জুয়া অ্যাপ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জামিনুর রহমান খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল করিম, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোপালসহ জেলার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি।

শেষে পুলিশ সুপার সবাইকে অনলাইন জুয়া থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই অপরাধে জড়িত কেউ ছাড় পাবে না।”