ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কাল বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

 

ডেস্ক: বর্তমান পরিস্থিতি ও আসন্ন নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক শুরু হবে রবিবার (৩১ আগস্ট) থেকে। এদিন বৈঠকে অংশ নেবে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি।

শনিবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে সমসাময়িক বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোনো শক্তি বা ষড়যন্ত্রই নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না।

প্রেস সচিব আরও জানান, সমসাময়িক বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কয়েকজন উপদেষ্টা, ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক হয়েছে।

নুরুল হক নুরের ওপর হামলাকে ন্যাক্কারজনক ঘটনা উল্লেখ করে তিনি জানান, এ বিষয়ে একজন হাইকোর্টের বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এসময় তিনি আরও জানান, হামলার ঘটনার পর প্রধান উপদেষ্টা নুরুল হক নুরের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সর্বোচ্চ চিকিৎসার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

ভিপি নুরের ওপর হামলা নিয়ে সরকারের বিবৃতি

ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক: গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা নুরুল হক নূরের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। শনিবার (৩০ আগস্ট) প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কেবল নূরের ওপরই নয়, এ ধরনের সহিংসতা ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার সংগ্রামে জাতিকে একত্রিত করা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেতনার ওপরও আঘাত। এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করার আশ্বাস দিয়েছে সরকার।

তাৎক্ষণিকভাবে নুরুল হক নূর ও তাঁর আহত সহকর্মীদের চিকিৎসা পর্যবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষায়িত মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠানোরও ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

বিবৃতিতে নূরের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করা হয়। বলা হয়, ২০১৮ সালে শেখ হাসিনার শাসনের বিরুদ্ধে কোটা সংস্কার আন্দোলনে তিনি তরুণদের সংগঠিত করেছিলেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা রেখেছিলেন। চব্বিশের জুলাইয়ের অভ্যুত্থান চলাকালে তাঁকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতনেরও উল্লেখ রয়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংকটময় এই সময়ে সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সরকার দৃঢ়ভাবে জানিয়েছে, আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে—২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে বলেও জোর দেওয়া হয়েছে।