রাঙ্গুনিয়ায় ভুয়া পরিচয়ে অর্থ দাবির চেষ্টা, ওসির সতর্কবার্তা

রাঙ্গুনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদার।

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় আদালত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ফোন করে ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে।

রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদার বুধবার জানান, উপজেলার মরিয়ম নগর এলাকার এক ব্যক্তি, কোদালা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব এবং সরফভাটার এক ব্যক্তিসহ কয়েকজনের কাছে ভুয়া পরিচয়ে ফোন করে টাকা দাবি করার প্রাথমিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।

তিনি বলেন, “বিষয়টি জানার পর ঐ নাম্বারগুলোতে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সেগুলো নিষ্ক্রিয় পাওয়া গেছে। উপজেলায় কারো কাছে এ ধরনের ফোন এলে তারা যেন সঙ্গে সঙ্গে থানাকে অবহিত করেন। আর দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া এলাকায় ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানায় জানান।”

তিনি আরও বলেন, “যে বা যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের ছাড় দেয়া হবে না। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

চান্দগাঁওয়ে পুলিশ অভিযানে ছিনতাইকৃত সাড়ে ১৪ লাখ টাকা উদ্ধার, গ্রেফতার ৫

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) চান্দগাঁও থানা পুলিশের অভিযানে ছিনতাইকৃত মোট ১৪ লাখ ৬১ হাজার ৬৭০ টাকা ও ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত চাইনিজ কুড়াল ও টিপছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চান্দগাঁও থানাধীন জান আলী রেলস্টেশন এলাকায় রফিক স্টোর নামের একটি গোডাউনের সামনে দুর্বৃত্তরা অস্ত্রের মুখে প্রায় ২০ লাখ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে চান্দগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

চান্দগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহেদুল কবিরের নেতৃত্বে পুলিশ প্রথমে অভিযান চালিয়ে দুই আসামি— মো. সুমন (৩০) ও মো. আলী (৪৫) কে গ্রেফতার করে। তাদের হেফাজত থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি টিপছোরা এবং ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

পরে পুলিশের পৃথক অভিযানে লক্ষীপুরের চৌধুরীঘাট এলাকা থেকে আরো তিনজনকে— মো. রাকিব (৩২), মো. ফয়সাল (১৯) ও মোছা: কাজল আক্তার (২১)— গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয় ১৩ লাখ ১৯ হাজার ৬৩০ টাকা।

মোট উদ্ধার হওয়া টাকা ১৪ লাখ ৬১ হাজার ৬৭০ টাকা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

চান্দগাঁও থানার ওসি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট টাকা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ডাকসু নির্বাচন: ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস ফরহাদ

সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদ (ছবি: সংগৃগীত)।

ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী সাদিক কায়েম নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে জয়ী হয়েছেন একই প্যানেলের এস এম ফরহাদ।

বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

ভিপি পদে সাদিক কায়েম পেয়েছেন সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত আবিদুল ইসলাম খান পান ৫ হাজার ৭০৮ ভোট।
জিএস পদে এস এম ফরহাদ পেয়েছেন ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত শেখ তানবীর বারী হামিম পান ৫ হাজার ২৮৩ ভোট।

সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন খান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১১ হাজার ৭৭২ ভোট।

দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত এই ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উত্তেজনা দেখা যায়।এবারের ডাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে পাঁচটি ছাত্রী হলে ১৮ হাজার ৯৫৯ জন এবং ১৩টি ছাত্র হলে ২০ হাজার ৯১৫ জন ভোটার ছিলেন।

কেন্দ্রীয় সংসদে ২৮টি পদের বিপরীতে ৪৭১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া, ১৮টি হল সংসদে ১৩টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ২৩৪টি পদের বিপরীতে ১ হাজার ৩৫ জন প্রার্থী ছিলেন।