৩৪ বছরের সেবা শেষে বিদায় নিলেন অতিরিক্ত আইজি তমিজউদ্দীন

ডেস্ক: বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ, বিপিএম, ৩৪ বছরের দীর্ঘ সেবাজীবনের পর অবসরে যাচ্ছেন। তাঁর বিদায় উপলক্ষে আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ বাহারুল আলম, বিপিএম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এতে অতিরিক্ত আইজিগণ, ঢাকাস্থ বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান এবং হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিদায়ী কর্মকর্তার পেশাগত ও ব্যক্তিজীবনের নানা দিক নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা স্মৃতিচারণ করেন। আইজিপি তার সততা ও সুনামের প্রশংসা করেন এবং সুস্থ জীবন কামনা করেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৯১ সালের ২০ জানুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের সাথে যুক্ত হন সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ। তিনি ঝালকাঠি ও মাদারীপুর জেলার পুলিশ সুপার এবং পরে রেলওয়ে পুলিশের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। বিদায়ী কর্মকর্তা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

সূত্র: বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ

রাঙ্গুনিয়ায় তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে কৃষি ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’ উপলক্ষে গ্রাহক সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার আলমশাহ পাড়া মাদ্রাসা শাখায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

“এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই”—এই প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তরুণদের আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধি ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

শাখার ব্যবস্থাপক মো. জাসেদ মিয়া তরুণদের উদ্দেশে সঞ্চয়ী হিসাব ও ঋণ সঠিকভাবে পরিচালনার পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করেন। আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বিভিন্ন হ্যাকার গ্রুপের বিষয়েও তিনি গ্রাহকদের সতর্ক করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শাখার কর্মকর্তা সুপন তালুকদার, সুজন দাশ, তৌহিদুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন ও ইমরান হোসেন।

ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তরুণদের মধ্যে উদ্যোক্তা মনোভাব সৃষ্টি ও নতুন উদ্যোগ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই ধরনের অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শিক্ষার্থীদের মাঝে উত্তর রাঙ্গুনিয়া কলেজ ছাত্রদলের উপহার ও লিফলেট বিতরণ


রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার উত্তর রাঙ্গুনিয়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে উপহারসামগ্রী ও লিফলেট বিতরণ করেছে কলেজ ছাত্রদল।

সোমবার সকালে কলেজ প্রাঙ্গণে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ উপলক্ষে এ কার্যক্রম আয়োজন করে নবগঠিত উত্তর রাঙ্গুনিয়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল।

এ সময় লালানগর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি এস.এইচ. সুমনসহ কলেজ ছাত্রদলের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। নবীন শিক্ষার্থীদের মাঝে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি সংবলিত লিফলেট ও উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নবগঠিত কমিটির সভাপতি সাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. এনামুল হক।

৩১ দফা বাস্তবায়নে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে — হুম্মাম কাদের চৌধুরী

রাঙ্গুনিয়া টুডে প্রতিবেদক:

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে জনগণকে কাজে লাগাতে হবে—নেতারা মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকা নয়, জনসাধারণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাটাই আসল।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার শিলক ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, “দেশ মেরামতে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে আমরা যারা মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছি তারা একটাও কাজে দিবেনা; কাজে লাগাতে হবে জনগণকে। আপনাদের মতামত, আপনারা যে পরিশ্রম করবেন আর আপনারা যে দোয়া করবেন—এসব যদি আমাদের সাথে না থাকে তাহলে ৩১ দফা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।”

তিনি আরও বলেন, রাঙ্গুনিয়ায় বিএনপির মধ্যে বিভাজনের কথা বারবার বলা হয়; তবে তিনি সরাসরি জানিয়ে দেন, “রাঙ্গুনিয়ায় বিএনপিতে কোনো গ্রুপিং নেই। যারা বেগম খালেদা জিয়াকে, যারা তারেক রহমানকে, যারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ভালোবাসে তারা সকলেই একই পরিবারের সদস্য।”

আলোচনা শেষে তিনি নির্বাচনী কৌশল সম্পর্কে বলেন, “হয়তো দলের উন্নতি বা কোনো পদবি পাওয়ার জন্য সকলের পরিশ্রম থাকবে; তবে যখন নির্বাচনের সময় চলে আসবে এবং প্রার্থী ঘোষণা হবে—তখন সকলেই দলীয় মনোনীত প্রার্থীর জন্য কাজ করবে। যার মনোনয়ন হবে, আমি প্রতিজ্ঞা করছি সবাই তার জন্য কাজ করবে।”

নিজের পারিবারিক সূত্র টেনে তিনি জানান—রাউজান না রাঙ্গুনিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তাঁর বাবার (মরহুম সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী) সিদ্ধান্ত ছিল ‘রাঙ্গুনিয়া’। সেই কারণে তিনি নিজেও রাঙ্গুনিয়াকেই ভিত্তি করে চলেন। উপস্থিত মানুষদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ—যারা এসেছেন সবাই আমার পরিবার।”

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাকবির দেওয়ার কারণে অনেকে তাঁকে মৌলবাদী বলে আখ্যায়িত করে—এ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে হুম্মাম কাদের চৌধুরী ব্যাখ্যা করেন, “এই তাকবির আমি সকলের জন্যই দিই; এর মাধ্যমে জানাতে চাই সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে, ফজলুল কাদের চৌধুরীর নাতির ঈমান শক্ত। যদি ঈমান শক্ত না হত, তাহলে আজ আপনাদের সামনে দাঁড়াতে পারতাম না।”