শীতে ঘরে ঘরে উষ্ণতা ছড়াল রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসন

রাঙ্গুনিয়া টুডে ডেস্ক: কনকনে শীতের এই সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার হোছনাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে গিয়ে শীতবস্ত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে দরিদ্র ও শীতকাতর মানুষের মাঝে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে অন্তত ৫০ জন মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। শীতবস্ত্র পেয়ে উপকারভোগীরা উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শীতবস্ত্র বিতরণকালে ইউএনও নাজমুল হাসান বলেন, শীত মৌসুমে যেন কোনো মানুষ কষ্ট না পায়, সে লক্ষ্যেই সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পিছিয়ে পড়া ও অসহায় জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানো প্রশাসনের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, এই সময়ে সমাজের সামর্থ্যবান মানুষেরও শীতার্তদের পাশে এগিয়ে আসা উচিত। সম্মিলিত উদ্যোগেই শীতজনিত দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব।

তিনি জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চলমান থাকবে।

উল্লেখ্য, এর আগেও রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা, বেতাগী ইউনিয়ন ও লালানগর ইউনিয়নে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

কনকনে শীতে সড়কের পাশে ফেলে যাওয়া দুই শিশুর দায়িত্ব নিল জেলা প্রশাসন, খোঁজ চলছে পরিবারের

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) : কনকনে শীতের রাতে সড়কের পাশে অসহায় অবস্থায় বসে থাকা দুই শিশুকে ঘিরে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। আনোয়ারা উপজেলায় উদ্ধার হওয়া ওই দুই শিশুর পরিবারের এখনো সন্ধান মেলেনি। এরই মধ্যে শিশুদের চিকিৎসা, আশ্রয় ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার উদ্ধার হওয়া শিশু দুটিকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। সেখানে জেলা প্রশাসক শিশুদের শারীরিক অবস্থা, উদ্ধারের প্রেক্ষাপট, পারিবারিক পরিচয় এবং সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।

শিশুদের মধ্যে ১৪ মাস বয়সী মোরশেদের শারীরিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত দুর্বল। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপরদিকে চার বছর বয়সী আয়েশাকে আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসন ও বারখাইন ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় আশ্রয়দাতা মহিন দম্পতির হেফাজতে রাখা হয়।

শুধু আশ্রয়ই নয়, শিশুদের চিকিৎসা ব্যয় ও প্রাথমিক প্রয়োজন মেটাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি শিশু দুটির ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক।

জেলা প্রশাসক বলেন, শিশু দুটিকে একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত পরিবেশে লালন-পালন এবং ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।

এ বিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার জানান, শিশু দুটিকে উদ্ধারের পরপরই জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়। জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে ছোট শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা নেন এবং বড় শিশুটিকে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখার সিদ্ধান্ত দেন। একই সঙ্গে তাদের পরিবারের খোঁজে প্রশাসন কাজ করছে।

উল্লেখ্য, গত রোববার সন্ধ্যায় আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের মাজারগেট এলাকায় কনকনে শীতের মধ্যে সড়কের পাশে বসে থাকা অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দা মহিন নামের এক ব্যক্তি শিশু দুটিকে উদ্ধার করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে শিশুরা জানায়, এক আত্মীয় তাদের সেখানে রেখে চলে যায়।

বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে প্রশাসনের নজরে আসার পর জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় দ্রুত চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

জেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় সচেতন মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা মনে করছেন, এমন দায়িত্বশীল ও দ্রুত পদক্ষেপ শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাঙ্গুনিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে পুড়েছে দোকান ও বসতঘর

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খোরশেদতালুক এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুটি দোকান ও একটি কাঁচা বসতঘর পুড়ে গেছে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন সম্পূর্ণভাবে নির্বাপন করেন।

উপজেলা ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় দুইজন মালিকের একটি কাঁচা বসতঘর ও দুটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন মৃত আবদুল মালেকের ছেলে মো. আলমগীর এবং মৃত ওসমান আলীর ছেলে মো. আবদুল মোনাফ।

ফায়ার সার্ভিস আরও জানায়, আগুন থেকে প্রায় ৪ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক আড়াই লাখ টাকার বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

আগুন নির্বাপন অভিযানে নেতৃত্ব দেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের সাব-অফিসার জসিম উদ্দিন।

উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ

ডেস্ক রিপোর্ট: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে উপদেষ্টা পরিষদের একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শুরুতেই তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন মোনাজাত পরিচালনা করেন।

সভায় বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামীকাল থেকে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, একটি শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়, যা পাঠ করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং তথ্য উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান।

রাষ্ট্রীয় শোক পালনকালে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবনে এবং বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। একই সঙ্গে দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়েও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতেও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক বই খোলা হবে।

বিশেষ আমন্ত্রণে সভায় অংশ নেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান। এছাড়া জানান, আগামীকাল বুধবার বাদ জোহর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ও সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাঁকে শহিদ রাষ্ট্রপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের পাশে দাফন করা হবে।

সভায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনসহ সব আনুষ্ঠানিকতায় সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। আজ আমরা গভীর শোকের সময় একত্রিত হয়েছি। তাঁর চলে যাওয়া জাতির জন্য বিরাট ক্ষতি। আমরা তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।”

তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, “২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসে তাঁর সঙ্গে সর্বশেষ দেখা হয়েছিল। সেদিন তিনি খুব উৎফুল্ল ছিলেন। নিজে অসুস্থ থাকলেও সবার খোঁজখবর নিয়েছেন। জাতির এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁর উপস্থিতি আমাদের খুব প্রয়োজন ছিল।”

সূত্র: প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ (Chief Adviser GoB)

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা কাল, দাফন শহীদ জিয়ার পাশে

ডেস্ক : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, বাদ যোহর রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে তার স্বামী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, “কাল বাদ যোহর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হবে।”

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারাদেশে গভীর শোকের আবহ নেমে এসেছে।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের ছুটি ঘোষণা

ডেস্ক রিপোর্ট: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি একজন মহান অভিভাবককে হারিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত বলে উল্লেখ করেন।

ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা মরহুমার পরিবারের সদস্যবৃন্দ, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং কর্মী-সমর্থকদের প্রতি সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তিনি মহান আল্লাহর কাছে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক পরম মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব জাতিকে বারবার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে চিরকাল স্মরণ করবে এবং এমন একজন দূরদর্শী ও নিখাদ দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা পূরণ হবার নয়।

শোকাবহ এই সময়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, কেউ যেন এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে অস্থিতিশীলতা বা নাশকতার অপচেষ্টা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

ভাষণে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন। পাশাপাশি তাঁর নামাজে জানাযার দিন একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণাও দেন।

নামাজে জানাযাসহ সব ধরনের শোক পালনে শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আবেগাপ্লুত হলেও সবাইকে ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।

শেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে জাতির জন্য ধৈর্য, শক্তি ও ঐক্য কামনা করেন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং তাঁর সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান।