
রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম): কর্ণফুলী নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি পরিবারটির কাছে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার সময় ডুবন্ত নৌকা থেকে যাত্রীদের উদ্ধারে অংশ নেওয়া চার কিশোরকে উৎসাহমূলক পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা ইউনিয়নে নৌকাডুবিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা ডা. এটিএম রেজাউল করিমের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাসান মুরাদ।
এ সময় তিনি নৌকাডুবির ঘটনায় ডুবন্ত অবস্থা থেকে যাত্রীদের, বিশেষ করে শিশুদের উদ্ধারে সাহসিকতার পরিচয় দেওয়া চার কিশোরের হাতে উৎসাহব্যঞ্জক পুরস্কার তুলে দেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাস্টার কামাল উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ শাহ আলম, কোদালা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি ডা. কুতুবউদ্দিন, সেক্রেটারি কাজী লোকমান, আব্দুল কুদ্দুস, ইসলামী ছাত্রশিবিরের উপজেলা সভাপতি ওয়াহিদুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম, হাফেজ আব্দুল্লাহসহ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ মে কর্ণফুলী নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় একই পরিবারের কয়েকজন সদস্য দুর্ঘটনার শিকার হন। এ সময় স্থানীয় চার কিশোরের সাহসিকতায় দুই শিশুসহ পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নববধূ কনিকা দাশ নিখোঁজ হন। ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন সংস্থা ও স্থানীয়দের উদ্যোগে অনুসন্ধান চালানো হলেও সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
