রাঙ্গুনিয়ায় বন্যাদুর্গত ৩০০ পরিবারের মাঝে যুবদলের ত্রাণ বিতরণ

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) : টানা বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার হোছনাবাদ ইউনিয়নের ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরীর নির্দেশনায় উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমাম চৌধুরীর উদ্যোগে এ ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইউসুফ চৌধুরী। তিনি বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই যুবদলের রাজনীতির অন্যতম অঙ্গ। মানবিক, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে উপজেলা যুবদলের কমিটি গঠনের আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের অর্থ সম্পাদক ইউসুফ কামাল তালুকদার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমাম চৌধুরী, হোছনাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, ইউনিয়ন বিএনপি ও উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুরুল আলম, সাবেক ছাত্রনেতা আবু নাছের টিপু, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বখতিয়ার হোসেন, হোসেন মেম্বার, মির্জা মহিউদ্দিন, মো. নুরুন্নবী, মো. খোরশেদ, জসিম উদ্দীন, নাজিম উদ্দীন ও মো. রাশেদ।

এ সময় ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং প্রবাসী বিএনপির সদস্যরা ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

আয়োজকরা জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

রাঙ্গুনিয়ায় শৌচাগারের পানি নিয়ে বিরোধ, মারধরে যুবকের মৃত্যু; আটক ২

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) : চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নে শৌচাগারের পানি উঠান দিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের জেরে মো. ওবায়দুল (৩৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নাপিতপুকুরিয়া ব্রিজঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওবায়দুল ওই এলাকার ইদ্রিস মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, টানা বৃষ্টির সময় বাড়ির উঠান দিয়ে শৌচাগারের ময়লা ও বৃষ্টির পানি প্রবাহিত হওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ওবায়দুলকে তাঁর চাচা ও চাচাতো ভাইরা কাঠের বাটাম দিয়ে মারধর করেন।

নিহতের ভাই মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, “চাচাদের বাড়ির শৌচাগারের ময়লা ও বৃষ্টির পানি ছাড়াকে কেন্দ্র করে আমার ভাই প্রতিবাদ করলে তারা সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালায়। কাঠের বাটামের আঘাতে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে তাকে উদ্ধার করে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।”

দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই। বাথরুমের পানি উঠান দিয়ে ফেলাকে কেন্দ্র করে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। স্থানীয়রা জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।”