জাকির হোসেন, দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি): টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যার তৃতীয় দিনেও খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার প্রায় ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম এখনো প্লাবিত রয়েছে। অনেক পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, দুই দিন পর দীঘিনালা-সাজেক সড়ক থেকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। তবে মেরুং হেডকোয়ার্টার এলাকায় সড়ক এখনো পানির নিচে থাকায় রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে।
এদিকে সড়কের পানি কমে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সকালে সাজেকে আটকে পড়া ৪২১ জন পর্যটককে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশের নিরাপত্তা স্কটের মাধ্যমে ১০১টি যানবাহনে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ বলেন, “বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। দীঘিনালা-সাজেক সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। তবে মেরুং হেডকোয়ার্টার এলাকায় সড়ক এখনো পানির নিচে থাকায় লংগদুর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম চলমান থাকবে।”
