ডেস্ক রিপোর্ট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয় নির্বাহের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে দেওয়া এক ভিডিওবার্তার পর মাত্র ১৪ ঘণ্টায় ২৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা অনুদান সংগ্রহ হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। যা নির্ধারিত ফান্ডরেইজিং লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকেরও বেশি। অনুদানদাতাদের অকল্পনীয় সাড়া ও ভালোবাসায় তিনি অভিভূত বলেও উল্লেখ করেন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফাইয়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি।
ডা. তাসনিম জারা জানান, এই ফান্ডরেইজিংয়ের মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৮০ টাকা। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলেই অনুদান সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে।
এদিকে বিকাশ অ্যাকাউন্টের দৈনিক লিমিট শেষ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে বিকাশের মাধ্যমে অনুদান গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলেও জানান তিনি। যারা এখনো অনুদান দিতে আগ্রহী, তারা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনুদান পাঠাতে পারবেন।
ফান্ডরেইজিংয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নেওয়া উদ্যোগের কথা তুলে ধরে ডা. তাসনিম জারা বলেন, শুরু থেকেই তিনি পূর্ণ স্বচ্ছতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন। সে অনুযায়ী ক্যাশ ডোনেশন গ্রহণ না করে শুধুমাত্র বিকাশ ও ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অনুদান নেওয়া হচ্ছে, যাতে প্রতিটি লেনদেনের একটি যাচাইযোগ্য রেকর্ড থাকে। এসব রেকর্ড বাংলাদেশ ব্যাংক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং ভবিষ্যতেও যাচাইযোগ্য থাকবে।
তিনি আরও বলেন, নিয়মিতভাবে মোট কত টাকা সংগ্রহ হয়েছে এবং কোন মাধ্যমে কত টাকা এসেছে—সে তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করা হচ্ছে। পাশাপাশি এসব ডকুমেন্ট নির্বাচন কমিশনের কাছেও জমা দেওয়া হবে, যাতে তারা যাচাই করতে পারেন।
এছাড়া কোন খাতে কত টাকা ব্যয় করা হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিতভাবে জানানো হবে বলে উল্লেখ করেন ডা. তাসনিম জারা। স্বচ্ছতা আরও জোরদার করতে জনগণের কাছ থেকে পরামর্শও আহ্বান জানান তিনি।
